আগামী ২ থেকে ৭ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভার দীপক শহরে আয়োজিত আন্তর্জাতিক গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে (আইএমএসও) অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশের ১৬ খুদে শিক্ষার্থী। ইন্দোনেশিয়ার ম্যাথমেটিকস এডুকেশন ক্লিনিক এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা ছাড়বে শিক্ষার্থীরা। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (বিডিএমএসও)।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। ১৩ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছর বিভিন্ন দেশে এই অলিম্পিয়াডের আয়োজন করা হয়। গত বছর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে প্রথম অংশ নিয়েই ২টি রৌপ্য ও ১০টি ব্রোঞ্জপদক জিতেছিল বাংলাদেশ দল।
গণিত দলের শিক্ষার্থীরা হলো অরিজিৎ সাহা, আলী ওমর, মো. নাবি হোসেন, ইহান আবরাদ রহমান, মো. সামিন সাইফ, শারাফ বিন আনোয়ার, মো. শাহিদ মোরসালিন ও ইরতিশ জায়েদ লিয়াম। শিক্ষার্থীদের সবাই সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ালেখা করছে।
বিজ্ঞান দলের শিক্ষার্থীরা হলো তাহমিদ হাসান (ষষ্ঠ শ্রেণি, মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ), অভিজ্ঞান রায় (ষষ্ঠ শ্রেণি, এসএফএক্স গ্রিনহেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল), সাহাবী ইবনে কাব্য (ষষ্ঠ শ্রেণি, সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল), রাফসান শফিক তালুকদার (ষষ্ঠ শ্রেণি, বনওয়ারী লাল সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ), আরহাম আবিদ (ষষ্ঠ শ্রেণি, বাসিরাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল), মো. মিফতাহুল ইসলাম (পঞ্চম শ্রেণি, ময়মনসিংহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল), রাইয়ান আফরাদ (চতুর্থ শ্রেণি, সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল) ও মোহাম্মদ মুশরিফ আলম (চতুর্থ শ্রেণি, এ জি চার্চ স্কুল)।
গত সোমবার রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দলের দলনেতা ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) এবং বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির (এসপিএসবি) সভাপতি মুনির হাসান। তিনি বলেন, ‘গত বছর প্রথম অংশ নিয়েই আমাদের ১২ শিক্ষার্থীর সবাই পদক জিতেছিল। এবার দল বড় হয়েছে, প্রস্তুতিও বেশি হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে গণিত ও বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করতে পারলে তা একদিন দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হয়ে উঠবে।’